জাতীয় বাটিক দিবস উদযাপনে, রোসো (Roso) শেফ দেগান সেপতোজি-র সাথে এক অনন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছে, যা বিশ্বমঞ্চে ইন্দোনেশিয়ার রন্ধনশৈলীকে তুলে ধরেছে।
আগামী বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, জাতীয় বাটিক দিবস উপলক্ষে সানুড়ের দ্য মেরু সানুড় এবং বালি বিচ হোটেলের রোসো (Roso) রেস্তোরাঁয় উপস্থাপন করা হচ্ছে “রাগম রাসা”—ইন্দোনেশীয় রন্ধনশৈলীর ঐতিহ্যবাহী এক বিশেষ নৈশভোজের অভিজ্ঞতা।
সানুড়ের শান্ত উপকূলে অবস্থিত এই আয়োজনটি বাটিক শিল্পের জটিল সৌন্দর্যের প্রতিফলন ঘটায়। এটি সাংস্কৃতিক গল্প ও স্থানীয় কারুশিল্পকে এক অনন্য গ্যাস্ট্রোনমিক শিল্পে রূপ দেয়। রোসো-এর এই বিশেষ সহযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন প্রখ্যাত সেলিব্রিটি শেফ ও রন্ধন পরামর্শক দেগান সেপতোজি এবং দ্য মেরু সানুড়ের এক্সিকিউটিভ সু শেফ প্রিমা উদায়ানা।
মিস করবেন না: ২০২৬ সালের সেরা ২০টি ইন্দোনেশীয় হোটেল

Above বালি বিচ হোটেলের ইন্দোনেশীয় রেস্তোরাঁ রোসো-এর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ
এই গ্যাস্ট্রোনমিক যাত্রা শুরু হয় স্ক্যালপ নানিউরা (Scallop Naniura) দিয়ে, যেখানে লম্বকের ঝিনুক, হলুদ, আন্দালিমান গোলমরিচ এবং কাফির লাইম আইওলির সমন্বয়ে এক দারুণ স্বাদের অবতারণা করা হয়। এরপর আসে বেবেক মেবাসা (Bebek Mebasa), যেখানে বালি অঞ্চলের মশলাদার ডাক টেরিন ও তেঁতুল সসের সংমিশ্রণ এক অপূর্ব স্বাদ তৈরি করে।
প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পরিবেশন করা হয় স্যামন লোদেহ (Salmon Lodeh), যেখানে স্লো-রোস্টেড স্যামন মাছের সাথে নারকেলের দুধ, লেমনগ্রাস ও সবুজ মরিচের সুস্বাদু ব্যঞ্জন পরিবেশন করা হয়। সবশেষে কোন্দ্রো (Kondro) নামক প্রিমিয়াম গরুর মাংসের ছোট রিবস ৪৮ ঘণ্টা স্যু-ভিড পদ্ধতিতে রান্না করে পরিবেশন করা হয়, যা রোসো-এর রন্ধনশৈলীকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ২০২৬ সালের সেরা ২০টি ইন্দোনেশীয় বার

Above রোসো আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেফ দেগান সেপতোজির তৈরি একটি বিশেষ পদ
এই উষ্ণ সন্ধ্যাটি শেষ হয় কোলাক পিসাং উবি (Kolak Pisang Ubi) নামক ডেজার্টের মাধ্যমে, যা কলা, মিষ্টি আলু এবং নারিকেলের আইসক্রিমের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।
ইন্দোনেশিয়া গ্যাস্ট্রোনমি নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ওয়ান্ডারফুল ইন্দোনেশিয়া গ্যাস্ট্রোনমি-এর থিম “স্থানীয় ঐতিহ্য থেকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি” গুরুত্ব পেয়েছে। রোসো-এর জেনারেল ম্যানেজার এড ব্রেয়ার মতে, এই আয়োজনটি কেবল খাবার নয়, বরং ইন্দোনেশিয়ার সমৃদ্ধ রন্ধনশৈলীর একটি উৎসব।
আরও পড়ুন:
বিশ্বখ্যাত খনিজ জলের ২০০ বছর পূর্তি উদযাপন





