อนุทิน ชาญวีรกูล นายกรัฐมนตรีไทย ร่วมเป็นสักขีพยานในพิธีลงนามบันทึกข้อตกลงความร่วมมือระหว่างตลาดหลักทรัพย์แห่งประเทศไทย (SET) และตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) เมื่อวันที่ 24 กันยายน ณ ประเทศสหรัฐอเมริกา พร้อมร่วมลั่นระฆังเปิดการซื้อขาย ณ ตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) นับเป็นนายกรัฐมนตรีไทยคนที่สามที่ได้เข้าร่วมในพิธีดังกล่าวต่อจาก อภิสิทธิ์ เวชชาชีวะ และเศรษฐา ทวีสิน
Cover থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চর্নভিকুল গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে থাইল্যান্ডের স্টক এক্সচেঞ্জ (SET) এবং নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE)-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে NYSE-এর বাণিজ্য শুরুর ঘণ্টা বাজান, যা দেশটির বিনিয়োগ সক্ষমতাকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
อนุทิน ชาญวีรกูล นายกรัฐมนตรีไทย ร่วมเป็นสักขีพยานในพิธีลงนามบันทึกข้อตกลงความร่วมมือระหว่างตลาดหลักทรัพย์แห่งประเทศไทย (SET) และตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) เมื่อวันที่ 24 กันยายน ณ ประเทศสหรัฐอเมริกา พร้อมร่วมลั่นระฆังเปิดการซื้อขาย ณ ตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) นับเป็นนายกรัฐมนตรีไทยคนที่สามที่ได้เข้าร่วมในพิธีดังกล่าวต่อจาก อภิสิทธิ์ เวชชาชีวะ และเศรษฐา ทวีสิน

নিউ ইয়র্কের ওয়াল স্ট্রিটে বেজে ওঠা সেই ঘণ্টা থাইল্যান্ডের পুঁজিবাজারে এক নতুন পরিবর্তনের সূচনালগ্ন হতে পারে। থাইল্যান্ডের নেতৃত্ব যখন NYSE-এর সাথে হাত মিলিয়ে বৈশ্বিক পুঁজি প্রবাহের দরজা খুলে দিচ্ছেন, তখন প্রশ্ন জাগে: এই ঐতিহাসিক ঘটনা থাইল্যান্ডের অর্থনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করবে এবং একজন বিনিয়োগকারী হিসেবে আমরা এখান থেকে কী সুবিধা পেতে পারি?

থাই পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এটি এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যখন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চর্নভিকুল নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে (NYSE) বাণিজ্য শুরুর ঘণ্টা বাজানোর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। ওয়াল স্ট্রিটের এই বিখ্যাত ঘণ্টা বাজানো কেবল বিশ্বের বৃহত্তম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রথা নয়, বরং এটি একটি কৌশলগত সংকেত যে, “থাইল্যান্ড এখন বৈশ্বিক পুঁজি এবং বিনিয়োগ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র একাতফপ পিয়ানফিসিত জানিয়েছেন, SET ও NYSE-এর এই যৌথ উদ্যোগ থাই কোম্পানিগুলোকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী এবং পুঁজির উৎসের কাছাকাছি নিয়ে যাবে। এটি মূলধন সংগ্রহ, ব্যবসার সম্প্রসারণ এবং আন্তঃসীমান্ত বিনিয়োগে সহায়তা করবে। একই সাথে, এটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে থাই কোম্পানি এবং নতুন শিল্পখাতগুলোর সম্ভাবনা উন্মোচন করবে, যা থাইল্যান্ডে নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আনতে সাহায্য করবে।

এই ঐতিহাসিক সহযোগিতার প্রভাব এবং NYSE-এর মাধ্যমে থাই অর্থনীতির রূপান্তরের সম্ভাবনাগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।

আরও পড়ুন: নিউ লাই (Niu Lai) প্রপঞ্চ: সোশ্যাল মিডিয়া মিম থেকে শেয়ার ও ক্রিপ্টো জগতে “বুল মার্কেটের” নতুন আশা

Tatler Asia
อนุทิน ชาญวีรกุล แสดงทัศนะในการลงนามบันทึกความเข้าใจฉบับนี้ เป็นมากกว่าข้อตกลงระหว่างตลาดหลักทรัพย์สองแห่ง แต่สะท้อนถึงความสัมพันธ์ทางเศรษฐกิจที่แข็งแกร่งและเติบโตขึ้นเรื่อยๆ ระหว่างไทยและสหรัฐอเมริกา รวมถึงทำให้ตลาดทุนสองประเทศมีความใกล้ชิดกันยิ่งขึ้น
Above অনুতিন চর্নভিকুল, থাইল্যান্ডের স্টক এক্সচেঞ্জ (SET) ও নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন, যা থাইল্যান্ড ও আমেরিকার ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
อนุทิน ชาญวีรกุล แสดงทัศนะในการลงนามบันทึกความเข้าใจฉบับนี้ เป็นมากกว่าข้อตกลงระหว่างตลาดหลักทรัพย์สองแห่ง แต่สะท้อนถึงความสัมพันธ์ทางเศรษฐกิจที่แข็งแกร่งและเติบโตขึ้นเรื่อยๆ ระหว่างไทยและสหรัฐอเมริกา รวมถึงทำให้ตลาดทุนสองประเทศมีความใกล้ชิดกันยิ่งขึ้น

১. সুযোগের ক্ষেত্র: থাই কোম্পানি ও নতুন উদ্ভাবনের জন্য NYSE-এর বিশাল সুযোগ

এই সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষর এবং ঘণ্টা বাজানোর ঘটনাটিকে তিনটি দিক থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ “স্প্রিংবোর্ড” হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  1. বৈশ্বিক পুঁজির সহজ পথ (Cross-border Listing): এটি বাধার প্রাচীর কমিয়ে থাই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে, বিশেষ করে নতুন অর্থনীতির (New Economy) বা সবুজ অর্থনীতির (Green Economy) ব্যবসাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পুঁজি সংগ্রহের পথ সুগম করবে।
  2. নতুন আর্থিক পণ্যের বিকাশ: খুব শীঘ্রই থাই বিনিয়োগকারীরা মার্কিন শেয়ারের সাথে যুক্ত আর্থিক পণ্য (যেমন DR বা ডেরিভেটিভ ওয়ারেন্টস) খুঁজে পাবেন, যা বর্তমানের চেয়ে অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় এবং সহজলভ্য।
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি (Credibility): NYSE-এর স্বীকৃতি থাই পুঁজি বাজারের শাসন ও স্বচ্ছতাকে আন্তর্জাতিক উচ্চমানে উন্নীত করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: ২০২৬ সালে বিশ্বের সেরা ২৫টি বিনিয়োগযোগ্য বাজারের তালিকায় ফিরে এসেছে থাইল্যান্ড

Tatler Asia
พิธีลงนามบันทึกข้อตกลงความร่วมมือระหว่างตลาดหลักทรัพย์แห่งประเทศไทย (SET) และตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) เมื่อวันที่ 24 กันยายน ณ ประเทศสหรัฐอเมริกา
Above গত ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে থাইল্যান্ডের স্টক এক্সচেঞ্জ (SET) এবং নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ (NYSE)-এর মধ্যে ঐতিহাসিক এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
พิธีลงนามบันทึกข้อตกลงความร่วมมือระหว่างตลาดหลักทรัพย์แห่งประเทศไทย (SET) และตลาดหลักทรัพย์นิวยอร์ก (NYSE) เมื่อวันที่ 24 กันยายน ณ ประเทศสหรัฐอเมริกา

২. চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা: থাইল্যান্ডের জন্য পরবর্তী করণীয়

দৃশ্যটি যতটা উজ্জ্বল মনে হচ্ছে, বিশ্লেষকদের মতে থাইল্যান্ডকে আরও অনেকগুলো কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

থাই কোম্পানির প্রস্তুতি: NYSE-এর মানদণ্ড অত্যন্ত কঠোর, বিশেষ করে অ্যাকাউন্টিং, তথ্যের স্বচ্ছতা এবং পরিবেশগত মান (ESG) সংক্রান্ত বিষয়ে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফল হতে হলে থাই কোম্পানিগুলোকে নিজেদের মূলে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে।

পুঁজির অস্থিরতা: বৈশ্বিক পুঁজি বাজারে সংযুক্ত হওয়ার অর্থ হলো, থাই শেয়ার বাজারকে এখন বিশ্ব অর্থনীতির সাথে তাল মিলিয়ে অনেক দ্রুত গতিশীল বা অস্থির তহবিল প্রবাহ (Fund Flow) মোকাবিলা করতে হতে পারে।

ছবি থেকে বাস্তবে রূপান্তর: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকার ও SET এই MOU-কে কতটা কার্যকরভাবে বাস্তব বিনিয়োগে পরিণত করতে পারবে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখবে।

SET ও NYSE-এর এই যৌথ উদ্যোগ থাই কোম্পানিগুলোকে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছে দেবে, যা মূলধন সংগ্রহ এবং আন্তঃসীমান্ত বিনিয়োগকে সহজ করবে। পাশাপাশি, এটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে থাই কোম্পানি ও নতুন শিল্পখাতগুলোর সম্ভাবনা তুলে ধরবে।

- একাতফপ পিয়ানফিসিত -

৩. থাই বিনিয়োগকারীরা কীভাবে উপকৃত হবেন

থাই খুচরা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ঘটনাটি “বিনিয়োগের বৃহত্তর বিকল্প” হিসেবে ইতিবাচক সংকেত বহন করে।

ভবিষ্যতে হয়তো উচ্চ মাশুল দিয়ে বিদেশি শেয়ার অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন হবে না। SET এবং NYSE যৌথভাবে এমন সব প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম তৈরি করতে পারে, যার মাধ্যমে সরাসরি বিশ্বমানের প্রযুক্তি শেয়ার কেনা সম্ভব হবে। এটি মুদ্রা বিনিময়ের ঝুঁকি কমাবে এবং পোর্টফোলিও পরিচালনা সহজতর করবে।

এক সাহসী পদক্ষেপ: এখন নজর রাখতে হবে ফলাফলের দিকে

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর এবং NYSE-তে ঘণ্টা বাজানোর ঘটনাটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মাঝে এক ইতিবাচক মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছে, যা থাই পুঁজিবাজারের স্থবিরতা কাটাতে সহায়ক।

তবে দিনশেষে প্রকৃত সাফল্য কেবল ওয়াল স্ট্রিটের সেই ঘণ্টা বাজানোর শব্দে পরিমাপ করা যাবে না; পরিমাপ করা হবে থাইল্যান্ডের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো কতটা মজবুত এবং আকর্ষণীয়, যাতে সেই পুঁজি দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে।

Topics