ভারত জুড়ে অবস্থিত সবচেয়ে অসাধারণ হোটেলগুলো, যা প্রথমবার আয়োজিত Tatler Best Awards-এ সম্মানিত হয়েছে
ভারতের বিলাসবহুল আতিথেয়তার জগৎ বিশ্বের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক এবং প্রশংসিত একটি ক্ষেত্র। রাজকীয় ইতিহাসের পরশে গড়া এই আতিথেয়তা অতিথিদের প্রতি এক গভীর অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ, যা সত্যিই অতুলনীয়।
কিংবদন্তিতুল্য রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে আধ্যাত্মিক পবিত্র স্থানগুলো পর্যন্ত, আধুনিক বিলাসবহুল জীবনযাত্রার ধারণার অনেক আগে থেকেই ভারতের মহারাজা এবং ঐতিহাসিক রাজবংশগুলো আভিজাত্যপূর্ণ আতিথেয়তার শিল্পকে নিখুঁত করে তুলেছিল। আজ, শত শত অসাধারণ হোটেল ভারতের উচ্চবিত্ত ভ্রমণকারীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তবুও, আমাদের Tatler Best 20 Hotels in India-এর তালিকায় এমন কিছু নির্বাচিত হোটেল রয়েছে, যা তাদের নিজ নিজ বিভাগে শীর্ষ সম্মান অর্জন করেছে।
এই পুরস্কারজয়ী হোটেলগুলো তাদের পরিচালনার দক্ষতা এবং অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য সংমিশ্রণ। এখানে উনিশ শতকের বণিকদের হাভেলি এখন এক মনোরম বুটিক হোটেল, আবার হায়দ্রাবাদের নিজামের প্রাক্তন বাসভবন রূপান্তরিত হয়েছে এমন এক অত্যাশ্চর্য হোটেলে, যা একটি জীবন্ত জাদুঘর হিসেবেও পরিচিত।
রাজকীয় শিষ্টাচার অনুযায়ী প্রশিক্ষিত বাটলার পরিষেবা থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক স্থাপত্যের সুরক্ষায় অত্যাধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রকৌশলবিদ্যা—এরাই হলো Tatler Best India-এর শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারজয়ী।
আরও দেখুন: Tatler Best 20 Hotels in India 2026
Hotel of the Year: Taj Falaknuma Palace, ভারত
হায়দ্রাবাদের ২,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত তাজ ফলকনুমা প্যালেস—নিজামের প্রাক্তন এই বাসভবন—ঐতিহাসিক আভিজাত্যের এক অনন্য কেন্দ্র হিসেবে ভারতের আভিজাত্যপূর্ণ আতিথেয়তাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ব্রিটিশ স্থপতি উইলিয়াম ওয়ার্ড ম্যারেটের নকশা করা ১৮৯৪ সালের এই নব্য-ধ্রুপদী প্রাসাদটি দেখতে অনেকটা বিচ্ছুর মতো। ইতালীয় মার্বেলের সিঁড়ি, ভেনিসীয় ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি এবং দুর্লভ স্টেইনড-গ্লাস জানালার অনন্য সমাবেশ রয়েছে এখানে। ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে পাহাড়ি পথে প্রাসাদে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা অতিথিদের এক রাজকীয় আবহ উপহার দেয়, যেখানে প্রথাগত গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে স্বাগত জানানোর পর প্রশিক্ষিত বাটলাররা সেবার দায়িত্ব নেন।
এই প্রাসাদে ৬০টি কক্ষ এবং স্যুট রয়েছে। এর বিখ্যাত ১০১-সিটের সেগুন কাঠের ডাইনিং টেবিল এবং ৫,০০০টিরও বেশি দুর্লভ পান্ডুলিপি ও প্রথম সংস্করণের বই সমৃদ্ধ একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থাগার পর্যটকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। ডাইনিংয়ের ক্ষেত্রে, 'আদা' রেস্তোরাঁয় শেফরা ঐতিহাসিক রাজকীয় রেসিপি দিয়ে নিজামি ভোজের আয়োজন করেন, আবার 'সেলেস্তে' প্রদান করে ইতালীয় ও ভূমধ্যসাগরীয় স্বাদের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। কেবল তার স্থাপত্যের আভিজাত্য নয়, মার্বেল টেরেস থেকে শহরের আলোর দিকে তাকিয়ে সন্ধ্যার কাওয়ালি পরিবেশনা অতিথিদের এক অন্য জগতে নিয়ে যায়। ভারতের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি আতিথেয়তার জগতে এক অনন্য মাপকাঠি।
Best New Hotel: Ran Baas The Palace, ভারত
পাঞ্জাবের পাতিয়ালায় অবস্থিত ১৮ শতকের কুইলা মুবারক কমপ্লেক্সের ভেতর রান বাস দ্য প্যালেস ভারতের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মূল মহারাজার দরবারের বাসভবন থেকে রূপান্তর করা এই প্রাসাদটিতে সংরক্ষিত আছে গিলে করা দেয়ালের ফ্রেসকো, হাতে খোদাই করা সেগুন কাঠের আসবাব, পলিশ করা মার্বেলের মেঝে এবং রাজকীয় আভিজাত্যের স্মারক ঝাড়বাতি। ৩৫টি স্যুটের প্রতিটিতে সিল্কের কার্পেট এবং স্থানীয় কারুশিল্পের ছোঁয়া রয়েছে, যা বাগান বা উঠোনের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে। রান বাস তার সুরক্ষিত প্রাচীরের ভেতর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যেমন ফুল-সার্ভিস স্পা এবং আউটডোর পুলের এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছে, যা ভারতের পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
খাবারের ক্ষেত্রে, তাদের নীল রেস্তোরাঁয় পরিবেশন করা হয় রাজকীয় ঐতিহ্যে অনুপ্রাণিত পাঞ্জাবি খাবার। এছাড়াও প্যাতিয়ালা বার তার সিগনেচার ককটেলের জন্য পরিচিত। অতিথিরা কুইলা আন্দ্রুনের সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে দেখতে হাই টি উপভোগ করতে পারেন, আবার স্থানীয় শেফদের কাছে রান্না শিখতেও পারেন।
Best Innovation: The Oberoi Udaivilas, Udaipur, ভারত
লেক পিচোলার তীরে অবস্থিত ওবেরয় উদয়বিলাস ভারতের রাজকীয় প্রাসাদের শৈলীতে নির্মিত, যা ফোয়ারা এবং উঠোনের উপস্থিতিতে অনন্য। এখানকার রুম এবং স্যুটগুলো যেন রাজকীয় বাসভবনের প্রতিচ্ছবি, যেখানে সূক্ষ্ম ভারতীয় বস্ত্র এবং হাতে তৈরি আসবাবপত্রের ছোঁয়া রয়েছে। এখান থেকে আরাবল্লী পাহাড় এবং সিটি প্যালেসের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। হোটেলের কিছু রুমে ব্যক্তিগত পুল এবং ফুলের সাজে সজ্জিত টেরেসে যাওয়ার সুবিধা রয়েছে। উদয়বিলাসের আভিজাত্যপূর্ণ পরিবেশ এবং নৌকায় চড়ে পিকনিক লাঞ্চ ভারতের আতিথেয়তাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
পরিবেশের সুরক্ষায় তারা জল পুনর্ব্যবহার এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মতো উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছে, যা তাদের এই লেকের বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় সাহায্য করে। ভারতের এই রিসোর্টটির পাশেই একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে, যেখানে ময়ূর, বন্য শুকর এবং হরিণ ঘুরে বেড়ায়।
Best Design: The Leela Palace Jaipur, ভারত
আরাবল্লী পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে ১১ একর জমির ওপর বিস্তৃত দ্য লীলা প্যালেস জয়পুর ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানি নকশার এক অনবদ্য নিদর্শন। এই প্রাসাদের কাঠামোয় সাদা মার্বেলের কারুকাজ করা খোদাই করা নকশা, গ্র্যান্ড ছত্রী এবং জটিল জালি পাথরের স্ক্রিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রাকৃতিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
ভিতরের নকশা যেন স্থানীয় শিল্পকলা এবং কারুশিল্পের এক জীবন্ত প্রদর্শনী। বিশেষ করে মোহন মহল রেস্তোরাঁয় মোমবাতির আলোয় থিক্রি কাজের ঝিলিক এক জাদুকরী পরিবেশ তৈরি করে। স্যুটে হাতে বোনা কার্পেট এবং জয়সালমীরের হলুদ পাথরের মেঝে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভারতের আভিজাত্যকে তুলে ধরে। প্রতিটি আর্কেড, উঠোন এবং ফোয়ারা রাজস্থানি ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানায়।
Best Service: Amanbagh, ভারত
মোগল যুগের আভিজাত্যের সাথে আধুনিকতার সংমিশ্রণ ঘটেছে ভারতের আমানবাগে, যার অর্থ সংস্কৃত ভাষায় 'শান্ত বাগান'। জয়পুরের উপকণ্ঠে অবস্থিত এই রিসোর্টটি তাল, ফল এবং ইউক্যালিপটাস গাছের সারির মধ্যে এক চমৎকার মরূদ্যানের মতো। এখানকার রাজকীয় তোরণ এবং মার্বেলের বাথটাব ভারতের রাজকীয় আভিজাত্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ট্যারেস হাভেলি স্যুটটি অতিথিদের এক রাজকীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
এখানে কর্মীদের সংখ্যা অতিথিদের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি, যার ফলে পরিষেবা অত্যন্ত সাবলীল। এখানে কোনো সেট সময়সূচী নেই, বরং অতিথিদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা কাস্টমাইজ করা হয়। ভারতের এই শান্ত আবাসে প্রাচীন বটগাছের নিচে মোমবাতির আলোয় রাতের খাবার এক বিশেষ অভিজ্ঞতা।
Best City Hotel: The Imperial New Delhi, ভারত
১৯৩৬ সালে উদ্বোধন হওয়া দ্য ইম্পেরিয়াল নয়াদিল্লি ভারতের রাজধানীর হৃদয়ে ঔপনিবেশিক ইতিহাস এবং ভিক্টোরিয়ান স্থাপত্যের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে। এটি যেন একটি জাদুঘর, যেখানে ৫,০০০টিরও বেশি ১৭শ ও ১৮শ শতকের ইন্দো-ইউরোপীয় প্রিন্ট এবং ছবি সংরক্ষিত রয়েছে।
এখানে উচ্চ ছাদযুক্ত ডেকো স্যুট থেকে শুরু করে রোজউড আসবাবপত্র এবং পার্সিয়ান কার্পেট সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী কক্ষ রয়েছে। হোটেলের ভেতরে একটি আউটডোর রিফ্লেকশন পুল, আয়ুর্বেদিক স্পা এবং 'দ্য স্পাইস রুট' রেস্তোরাঁ ভারতের ভ্রমণকারীদের জন্য এক প্রশান্তির মরূদ্যান হিসেবে কাজ করে।
Best Resort: Six Senses Fort Barwara, ভারত
দীর্ঘ দশকের রূপান্তরের পর ৭০০ বছরের পুরনো এই রাজস্থানি দুর্গটি ভারতের প্রথম সিক্স সেন্সেস ফোর্ট বারওয়ারা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রনথম্ভোর ন্যাশনাল পার্কের কাছে অবস্থিত এই রিসোর্টটি ভারতে রাজকীয় রাজস্থানের অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত। ৪৮টি স্যুট সমৃদ্ধ এই রিসোর্টটি তার প্রাচীন দুর্গ এবং মরুভূমির দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।
দুর্গের মধ্যে থাকা প্রাসাদ এবং মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রিসোর্টের আভিজাত্য বাড়িয়ে দিয়েছে। জৈব বাগান এবং সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা পরিবেশবান্ধব আতিথেয়তাকে গুরুত্ব দিয়েছে। ভারতের এই রিসোর্টটির ২০,০০০ বর্গফুটের ওয়েলনেস সেন্টার অতিথিদের এক চিরস্থায়ী প্রশান্তি প্রদান করে।
Best Wellness Retreat: Ananda in the Himalayas, ভারত
হিমালয়ের পাদদেশে ১০০ একর জমির ওপর বিস্তৃত আনন্দ ইন দ্য হিমালয়াস ভারতের উত্তরাঞ্চলে গঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। এখানে অভিজ্ঞ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অতিথিদের জন্য কাস্টমাইজড ওয়েলনেস প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা যেমন অভয়ঙ্গ এবং শিরোধারার পাশাপাশি যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম এবং বেদান্ত ক্লাসের মাধ্যমে এখানে মানসিক প্রশান্তি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
ওয়েলনেস কুইজিনের ওপর ভিত্তি করে এখানে পরিবেশন করা হয় জৈব খাবার। ভারতের এই স্পা সেন্টারে হাইড্রোথেরাপি সার্কিট, সনা এবং কোল্ড প্লাঞ্জ পুলের মাধ্যমে শরীর ও মনকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়।
Best Destination Hotel: Taj Lake Palace, ভারত
উদয়পুরের লেক পিচোলার মাঝে ভাসমান তাজ লেক প্যালেস ১৮ শতকে মহারানা জগৎ সিং দ্বিতীয় শীতকালীন অবকাশ যাপনের জন্য তৈরি করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে এটিকে বিলাসবহুল হোটেলে রূপান্তর করা হয়। এটি ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যসহ বিখ্যাত ব্যক্তিদের প্রিয় জায়গা হয়ে ওঠে। সাদা মার্বেলের এই প্রাসাদে ভিন্টেজ গাড়ি এবং স্পিডবোট ট্রান্সফার ভারতের আভিজাত্যের প্রতীক।
প্রাসাদের কাঁচের মোজাইক, দেয়াল চিত্র এবং ফোয়ারা ভরা আঙিনা ভারতের স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন। এখানে অতিথিদের জন্য ভাসমান ডাইনিং প্ল্যাটফর্ম এবং heritage ট্যুর সহ বিশেষ সব আয়োজন রয়েছে।
Best Boutique Hotel: The Johri Jaipur, ভারত
দ্য জহরি ভারতের জয়পুরের ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জহরি বাজারে অবস্থিত ১৯ শতকের লাল হাভেলি থেকে রূপান্তরিত একটি বুটিক হোটেল। নয়াদিল্লির ডিজাইনার নয়না শাহের নেতৃত্বে এর রূপান্তর সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি স্যুটে রাজস্থানি ঐতিহ্যের ছোঁয়া রয়েছে, যেখানে মূল্যবান রত্নপাথরের রঙের সমন্বয়ে ঘরের নকশা করা হয়েছে।
এর রেস্তোরাঁয় স্থানীয় জৈব উপাদানে তৈরি নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হয়। হোটেলের ভেতরে একটি ছোট মন্দির এবং আয়ুর্বেদিক স্পা রয়েছে, যা ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। এর পাশেই হাওয়া মহল এবং সিটি প্যালেসের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
Best Family Hotel: Rambagh Palace, Jaipur, ভারত
জয়পুরের মহারাজার প্রাক্তন বাসভবন রামবাগ প্যালেস ভারতের পারিবারিক ভ্রমণের জন্য একটি আদর্শ জায়গা। ৪৭ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই প্রাসাদে অনেক খোলা জায়গা রয়েছে যেখানে ময়ূর ঘুরে বেড়ায়। শিশুদের জন্য পোনি রাইড, ক্রোকের মতো আউটডোর খেলা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা রয়েছে।
এর গরম পানির ইনডোর পুল এবং মাল্টি-রুম স্যুট ভারতের এই রিসোর্টটিকে পরিবারের সবার জন্য আরামদায়ক করে তুলেছে।
Best Hotel Spa: Taj Exotica Resort & Spa, Goa, ভারত
দক্ষিণ গোয়ার বেনেউলিম সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত তাজ এক্সোটিকা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা ভারতের এক চমৎকার অবকাশ যাপনের ঠিকানা। এর ৫৬ একর জুড়ে বিস্তৃত বাগান এবং পর্তুগিজ স্থাপত্যশৈলী গোয়ার সহজ-সরল জীবনযাত্রাকে ফুটিয়ে তোলে। এখানকার জে ওয়েলনেস সার্কেল স্পা ভারতের সেরা স্পা অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
এখানে ব্যক্তিগত থেরাপি প্যাভিলিয়ন, অ্যারোমাথেরাপি ম্যাসাজ এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার মাধ্যমে অতিথিদের ক্লান্তি দূর করা হয়। লবস্টার শ্যাক রেস্তোরাঁয় টাটকা সি-ফুড ভারতের এই রিসোর্টটির জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।




